শ. ই. সরকার :: নবীগঞ্জের শেখরপাড়ায় দীর্ঘদিন যাবৎ জুয়ার আসর পরিচালনা করে আসছে আ’লীগের দোসর কাছন মিয়া। হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ১১নং গজনাইপুর ইউনিয়নস্থিত কাইস্তগ্রামের শেখরপাড়ায় কাছন মিয়া দীর্ঘদিন যাবৎ জুয়ার আসর পরিচালনা করে আসলেও বিষয়টি এতোদিন প্রশাসনের অজানা ছিলো।
বর্তমানে কারাগারে আটক উপজেলা আ’লীগের বহিস্কৃত ও পুণর্বহাল সভাপতি, দূর্ণীতি ও আত্নসাতের দায়ে বহিস্কৃত, পুণর্বহাল ও পদত্যাগী গজনাইপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইমদাদুল হক মুকুল (মুকুল চেয়ারম্যান) এর ঘনিষ্ট সহযোগী ও আ’লীগের দোসর কাছন মিয়া শেখরপাড়ার নইর আলীর পুত্র। ইউনিয়নের অবৈধ জনতারবাজারে চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটেরও সে অন্যতম সদস্য।
প্রায়ই সে নিজেসহ বিভিন্ন জুয়ারীকে নিয়ে তার চাচাতো ভাই সোনা মিয়ার পুত্র (চাচাতো ভাতিজা) বজলু মিয়ার ঘরে জুয়ার আসর বসিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত এবং কোন কোন দিন সারা রাত পর্যন্ত জুয়া খেলে। এটাই তার মূল পেশা। আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে বজলু মিয়া তারই নিজ ঘরে কাছন মিয়াকে জুয়ার আসর বসানোর সুবিধা দিয়ে থাকে। এ জুয়ার আসর বসানোতে কাছন মিয়ার প্রধান সহযোগী সাতাইহাল গ্রামের নভির মিয়ার পুত্র ও আ’লীগের দোসর খালেদ মিয়া।
স্থানীয় সাবেক ইউপি মেম্বার একাধিকবার তাদেরকে জুয়ার আসর বন্ধ করতে বললেও, তারা জুয়ার আসরের বিষয় অস্বীকার পূর্বক উল্টো তার সাথে অসদাচরণ করে। কাছন মিয়ার ইতরামী ও হয়রানীর ভয়ে স্থানীয়রা এতে বাধা-আপত্তি করার সাহস পায়না। এ কারণে বেপরোয়া কাছন মিয়া এলাকার লোকজন, মেম্বার, চেয়ারম্যান কাউকেই তোয়াক্কা করেনা। শোনা যায়- সে নাকি পুলিশকে আর্থিক সুবিধা দিয়ে জুয়ার আসর পরিচালনা করে। এ কারণেই নাকি সে কাউকে তোয়াক্কা করেনা। এতোদিন তার জুয়ার আসরের বিষয়টি প্রশাসনের অজানা থাকলেও, সম্প্রতি এলাকাবাসীর পক্ষে কয়েক ব্যক্তি হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করলে বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। অভিযোগকারীরা কাছন মিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ পূর্বক তার জুয়ার আসর বসানো বন্ধকরণে জরুরী পদক্ষেপ নেয়ার আবেদন জানিয়েছেন।

