সাংবাদিক সুমন এর মৃত্যুতে ড. এম জি মৌলা মিয়া এমবিই’র শোক প্রকাশ

সাংবাদিক সুমন এর মৃত্যুতে ড. এম জি মৌলা মিয়া এমবিই’র শোক প্রকাশ

সুরমার ঢেউ সংবাদ :: এটিএন বাংলা ইউকে’র বার্মিংহাম প্রতিনিধি, বড়লেখা ফাউন্ডেশন ইউকে’র সাধারণ সম্পাদক, যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশী কমিউনিটির পরিচিত মুখ, সাংবাদিক কায়সারুল ইসলাম সুমন এর মৃত‍্যুতে গভীর শোক ও তার শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন ড. এমজি মৌলা মিয়া এমবিই।
ইউকেবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট, রাজনগর ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস গ্রুপ-ইউকে, মৌলভীবাজার জেলা জনসেবা সংস্থা-মিডল্যান্ড ইউকে, এমবিএম বিজনেস গ্রুপ-বিডি, মৌলা ফাউন্ডেশন ও এমবিএম মিডিয়া’র চেয়ারম্যান এবং মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক সুরমার ঢেউ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. এম জি মৌলা মিয়া বলেন- কায়সারুল ইসলাম সুমন ছিলেন আমার অত্যন্ত প্রিয় ও স্নেহভাজন। তিনি ছিলেন একজন স্পষ্টবাদী ও দায়িত্বশীল সাংবাদিক এবং একজন দক্ষ কমিউনিটি সংগঠক। যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশী কমিউনিটির বিভিন্ন সমস্যা, সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে তিনি প্রায় নিয়মিত প্রতিবেদন পরিবেশন করতেন। তিনি ছিলেন সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অত্যন্ত আপনজন ও আস্থাভাজন একজন মানুষ। একজন মানবিক হৃদয়ের মানুষ হিসেবে তিনি ব্যাপক পরিচিত ছিলেেন। তিনি ছিলেন একজন অসাধারণ হৃদয়ের মানুষ। তার আকস্মিক মৃত্যুতে সাংবাদিক মহল ও যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশী কমিউনিটির অপূরনীয় ক্ষতি হলো। মহান আল্লাহ যেন তার দুনিয়াবী সকল গুণাহ ক্ষমা করে তাকে জান্নাতনসীব করেন, আ-মি-ন।
উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম প্রবাসী মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার সদর ইউনিয়নস্থিত মহদিকোনা গ্রামের মাস্টার বাড়ির কৃতিসন্তান কায়সারুল ইসলাম সুমন কিছুদিন আগে স্ত্রী-সন্তানসহ দেশে এসেছিলেন। মৃত্যুর আগেরদিন ৩ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্ত্রী-সন্তানদেরকে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশ্যে বিদায় জানান। এরপর ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন- Waiting for next destination.
বিমানবন্দর থেকে ফিরে নিজ বাড়ীতে অবস্থানরত থাকাবস্থায়, স্ত্রী-সন্তানদেরকে বিদায় জানানোর ১৮ ঘন্টা পর গত ৪ ফেব্রুয়ারী বুধবার রাতে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং সিলেট হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে নিয়ে যাবার পথে বাংলাদেশ সময় ভোর পৌনে ৬টায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। এসময় তার স্ত্রী বার্মিংহামের নিজ বাসায় প্রবেশের জন্য দরজার তালা খুলছিলেন। এমতাবস্থায় স্বামীর মৃত্যুসংবাদ জানার পর তিনি সন্তানদের নিয়ে আবারও বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। তিনি বাড়ীতে এসে পৌছার পর ৫ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বড়লেখা সদর ইউনিয়নের দরগাবাজার আজমির স্কুল মাঠে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে জানাজার নামাজ শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। তার মৃত্যুসংবাদ প্রকাশ হলে যুক্তরাজ্য ও সিলেট বিভাগের সাংবাদিক মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৫২ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ পুত্র, ২ কন্যাসহ বহু আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *