মোহাম্মদ হায়দার :: কুলাউড়ায় দেনাদারের পিটুনিতে পাওনাদার নারী নিহত হয়েছেন ১৮ জানুয়ারি শনিবার দুপুরে। নিহতের নাম নাজমা বেগম। তিনি উপজেলার পৃথ্বিমপাশা ইউনিয়নস্থিত রাজনগর গ্রামের বানসন্দা। হত্যাকারীর নাম সোহাগ মিয়া। তিনিও একই গ্রামের বাসিন্দা। পিটুনির ঘটনাটি ঘটেছে ১৭ জানুয়ারি শুক্রবার রাতে দেনাদার সোহাগ মিয়ার বাড়ীতে।
জানা গেছে- ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে প্রায় বছরখানেক আগে সোহাগ মিয়া কয়েকমাসের মধ্যে ফেরত দেয়ার কথা বলে নাজমা বেগমের কাছ থেকে ৭ লাখ টাকা ঋণ নেন। এরপর দিমু-দিচ্ছ বলে বলে প্রায় বছরখানেক সময় অতিক্রান্ত হলেও সেই টাকা তিনি ফেরত দেননি। এ নিয়ে এলাকায় অনুষ্ঠিত সালিশে তিনি ১৭ জানুয়ারি শুক্রবার টাকা ফেরত দেবেন বলে উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে আশ্বস্ত করেন। কিন্তু, শুক্রবার দিন অতিক্রান্ত হয়ে সন্ধা নামলেও, সোহাগ মিয়া টাকা না দেয়ায়, নাজমা বেগম সন্ধ্যার পর সোহাগ মিয়ার বাড়িতে গিয়ে টাকা চাইলে, সোহাগ মিয়া তাকে বেধড়ক কিল-ঘুষি মেরে আহত করে তার বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দেন। পরদিন ১৮ জানুয়ারী শনিবার সকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে নাজমা বেগম জ্ঞান হারান। প্রায় সাথে সাথে পরিবারের লোকজন তাকে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজমা বেগমকে মৃতঃ ঘোষণা করেন। ১৯ জানুয়ারী রবিবার সকালে নাজমা বেগমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে এবং দেনাদার সোহাগ মিয়াকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেছে।

