চোরাচালান বন্ধ, পুশইন ও কুরবানীর চামড়া পাচার রোধে ৫২ বিজিবি বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের  মিডিয়া ব্রিফিং

চোরাচালান বন্ধ, পুশইন ও কুরবানীর চামড়া পাচার রোধে ৫২ বিজিবি বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের মিডিয়া ব্রিফিং

আল আমিন আহমদ: বিয়ানীবাজারে ৫২ বিজিবি বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, সীমান্তে অবৈধ গবাদিপশু চোরাচালান ও চামড়া পাচার রোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এছাড়াও সীমান্তে বসবাসরত স্থানীয় জনসাধারণের জানমাল নিরাপত্তা সহ চোরাচালান, মাদক, মানব ও অস্ত্র পাচার প্রতিরোধ এবং আন্ত: সীমান্ত অপরাধ দমনে বিজিবি নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
শুক্রবার ৬ জুন দুপুরে সীমান্তের সার্বিক বিষয় নিয়ে মিডিয়া ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন ৫২ বিজিবি বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মোঃ মাহফুজার রহমান পিবিজিএম,এস সহ অন্যন্যরা।
এসময় তিনি বলেন, বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়ন (৫২ বিজিবি) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের একটি পুরুষপূর্ণ সীমান্ত রক্ষাকারী ইউনিট হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের সীমায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সীমান্তে সকল ধরণের অপরাধ প্রতিহত করা। এবারের ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে দেশের জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ঈদ উদযাপন করতে পারে সেজন্য বিজিবি সদস্যরা সীমান্তের নিরাপত্তা বিধান, দেশের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং ঈদ জামায়াত সহ অন্যান্য অনুষ্ঠানিক দায়িত্বে নিরাপত্তা কাজ করবে।
এসময় তিনি আরো বলেন, আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত দিয়ে পথ্যাদি পশু চোরাচালান এ চামড়া পাচার রোধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত পুরবানির পশু দেশে মজুদ রয়েছে। দেশীয় খামারিরা যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং পার্শ্ববর্তী দেশ হতে যাতে অবৈণভাবে গবাদি পশু প্রবেশ করতে না পায়ে সেজন্য বিজিবি সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। একইভাবে ঈদের পর কুরবানির চামড়া যাতে সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পাচার না হয় সেজন্যও বিজিবি সীমান্তে সর্বোচ্চ তৎপর।
সাম্প্রতিককালে সীমান্ত দিয়ে পুশ-ইন প্রতিরোধে বিজিবি সীমান্তে কঠোর নজরদারি ও টহল তৎপরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে সাথে নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে বিএসএফ পুশ-ইন করায় বিজিবি বিএসএফের সাথে সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ, বিওপি/ক্যাম্প কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক এবং ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে মৌখিক ও লিখিতভাবে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *