সোনার বাংলাদেশে এ দূর্নীতির শেষ কোথায় ? মৌলভীবাজারের আব্দুল হান্নানের জিজ্ঞাসা

সোনার বাংলাদেশে এ দূর্নীতির শেষ কোথায় ? মৌলভীবাজারের আব্দুল হান্নানের জিজ্ঞাসা

শ. ই, সরকার (জবলু) :: সোনার বাংলাদেশে এ দূর্নীতির শেষ কোথায় ? ৮ জানুয়ারী বৃহষ্পতিবার ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে রাষ্ট্রকে এ কথা জিজ্ঞাসা করেছেন মৌলভীবাজার সদর উপজেলাধীন আপার কাগাবলা ইউনিয়নস্থিত পদিনাপুর গ্রামের অস্বচ্ছল আব্দুল হান্নান।
পোস্টে তিনি জানিয়েছেন প্রায় দেড় বছর হয় তিনি নিজ বসত বাড়ি থেকে মৌলভীবাজার জেলা শহরে চলে এসেছেন। তিনি বসতগৃহের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেননি। বসতগৃহের বিদ্যুতের মেইন সুইচ বন্ধ ও বসতগৃহ তালাবন্ধ করা। কোন অবস্থাতেই মেইন সুইচ খোলা বা অন করার সুযোগ নাই। প্রতি মাসের মিটার ফি ৫২ টাকা তিনি নিয়মিত পরিশোধ করে আসছেন। বিগত নভেম্বর ২০২৫ মাসে বিদ্যুতের মেইন সুইচ বন্ধ ও তালাবন্ধ বসতগৃহের বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৬২৭ টাকা (ব্যবহৃত ইউনিট ১০০)। ডিসেম্বর ২০২৫ মাসে বিদ্যুৎ বিল এসেছে ৩৬৪ টাকা (ব্যবহৃত ইউনিট ৬০)।
বিদ্যুতের মেইন সুইচ বন্ধ ও তালাবন্ধ বসতগৃহে নভেম্বর ২০২৫ মাসে ১০০ ইউনিট এবং ডিসেম্বর ২০২৫ মাসে ৬০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার হলো কিভাবে- এ প্রশ্নের উত্তর জানতে তিনি স্বশরীরে যোগাযোগ করেন মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিসে। কিন্তু, তার এ প্রশ্নের উত্তর কোন সদুত্তর পাননি। ফলে, রাগে দুঃখে আব্দুল হান্নান ১৪১৭ টাকা ভূয়া বিল এবং বিদ্যুৎ ও মিটার বিচ্ছিন্নকরণ ফি ২৭৬ টাকা পরিশোধ পূর্বক ৮ জানুয়ারী ২০২৬ইং তার বসতগৃহের বিদ্যুৎ ও মিটার বিচ্ছিন্ন করার আবেদন করেন। তিনি আক্ষেপ করে লিখেন- সোনার বাংলাদেশটা দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে। এই সোনার বাংলাদেশে আমার জিজ্ঞাসা- এ দূর্নীতির শেষ কোথায় ? দেশের একজন অস্বচ্ছল সাধারণ নাগরিক আব্দুল হান্নানের জিজ্ঞাসার কোন জবাব কি রাষ্ট্র দেবে ?
উল্লেখ্য- মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এহেন দূর্ণীতি নতুন নয়, বহু পুরনো। প্রায়শঃই তারা নীরিহ ও দরিদ্র জণসাধারণকে এভাবে হয়রানী ও সর্বশান্ত করে থাকে। এ নিয়ে বিস্তর লেখালেখি হলেও, কখনও কোন ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কিংবা সংশ্লিষ্ট বিভাগ কিংবা রাষ্ট্র।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *