সুরমার ঢেউ সংবাদ :: ‘এলাচ’ সবুজ সোনা খ্যাত একটি উচ্চমূল্যের মশলা ফসল। এলাচ ছাড়া মাংস, পোলাও ইত্যাদি রান্নার চিন্তাও করা যায়না। একটি উচ্চমূল্যের মশলা ছাড়াও এলাচের রয়েছে বিভিন্ন ঔষধী গূণাগুণ। স্বাস্থ্য সুরক্ষায়ও এলাচের ব্যবহার রয়েছে। বনাজী, ইউনানী, আয়ূর্বেদী, হারবাল ইত্যাদি ওষুধ ও বিভিন্ন ফুড সাপ্লিমেন্ট তৈরীতে এলাচ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ঔষধী অনুসঙ্গ। পানি জমে থাকেনা এমন এবং ৭০-৮০% ছায়াযুক্ত, সঠিক আর্দ্র ও উর্বর দোআঁশ বা লাল মাটিতে এলাচ খুব ভালো জন্মে। আর্দ্র ও উষ্ণ জলবায়ু এলাচ চাষের জন্য আদর্শ। ২ ফুট বাই ২ ফুট আকারের গর্ত করে তাতে গোবর সার ও মাটি মিশিয়ে রাখতে হয়। এর ৭ থেকে ১০ দিন পর চারা রোপণ করতে হয়। এক চারা থেকে অন্য চারার দূরত্ব ৫-৬ ফুট রাখতে হয়। বর্ষার শুরু (জুন-জুলাই) চারা রোপণের শ্রেষ্ঠ সময়। গাছের গোড়ায় সবসময় আর্দ্রতা বজায় রাখতে হয় (বেশি শুকিয়ে গেলে ফলন হয়না)। বৃষ্টির পানি যেন গাছের গোড়ায় জমে না থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হয়। গাছের গোড়ার মরা পাতা ও আগাছা নিয়মিত পরিষ্কার করতে হয়। গাছের গোড়া পঁচা রোগ এড়াতে মাঝেমধ্যে কপার অক্সিক্লোরাইড বা বোর্দো মিক্সচার ব্যবহার করতে হয়। চারা রোপণের ২-৩ বছর পর থেকে এলাচ ধরা শুরু হয়। ফলগুলো পেকে লালচে হবার আগেই (সবুজ থাকা অবস্থায়) তুলে নিতে হয়। সংগ্রহের পর রোদে বা ড্রায়ারে শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে হয়। (তথ্য : সংগৃহিত)

